Gulfzi Header - Redesign

ইরাকে যেতে এখন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে: নভেম্বর ২০২৬-এর নতুন নির্দেশনা

📅 সর্বশেষ হালনাগাদ: নভেম্বর ২০২৬
⚡ সংক্ষিপ্ত উত্তর: প্রতিবেদন অনুযায়ী বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় BMET-কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, ইরাকসহ ১২টি দেশের জন্য মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ-অনুমতি বা আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স দেওয়া যাবে না। এখন প্রতিটি রিক্রুটমেন্ট চাহিদাপত্রের (ডিমান্ড লেটার) জন্য আলাদা অনুমোদন লাগবে।

কী হয়েছে?

সরকার মানবপাচার ঠেকাতে নজরদারি কড়া করেছে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ১২টি দেশে কর্মী পাঠানোর আগে মন্ত্রণালয়ের পূর্ব-অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইরাক সেই তালিকায় আছে। ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (BAIRA) তার সদস্য এজেন্সিগুলোকে নির্দেশনাটি জানিয়ে দিয়েছে।

আগে কী ছিল, এখন কী?

বিষয়বিবরণ
আগেখাত-সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, সাতজন পর্যন্ত কর্মীর চাহিদাপত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগত না
এখনপ্রতিটি চাহিদাপত্রের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে
কারণঅভিযোগ আছে, এই ছাড়ের সুযোগে ভুয়া চাকরির প্রস্তাবে মানুষ বিদেশে পাঠানো হয়েছে
ফলঅনুমোদন না থাকলে BMET ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স দেবে না

কোন কোন দেশের জন্য এই নিয়ম?

দুটি প্রধান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেই এই ১১টি দেশের নাম আছে: ইরাক, রাশিয়া, জাপান, সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়া। বারো নম্বর দেশের নাম দুই প্রতিবেদনে আলাদা এসেছে, তাই সেটি এখানে উল্লেখ করা হলো না। চূড়ান্ত তালিকা মন্ত্রণালয় বা BMET-এর ঘোষণা থেকে দেখে নিন।

ইরাকগামীদের জন্য এর মানে কী?

শুধু ভিসা পাওয়া বা এজেন্সির মাধ্যমে চাকরির প্রস্তাব পাওয়া মানেই বৈধ ও নিরাপদ যাত্রা নয়। মাইগ্রেশন অধিকারকর্মীরা বলছেন, গন্তব্য দেশে আসল কাজ আছে কি না, নিয়োগকর্তা কে, চুক্তি, বেতন-সুবিধা, ভিসার ধরন এবং বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদন — সবকিছু আগে মিলিয়ে দেখতে হবে।

🚨 সাবধান: খাত-সংশ্লিষ্টরা পরামর্শ দিচ্ছেন, নিয়োগপত্র, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স যাচাই না করে কোনো টাকা লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন না।

টাকা দেওয়ার আগে যা যাচাই করবেন

১
নিয়োগপত্র (অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার) হাতে আছে কি না দেখুন।
২
ওই চাহিদাপত্রের জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন হয়েছে কি না এজেন্সির কাছে লিখিত প্রমাণ চান।
৩
নিয়োগকর্তার পরিচয় ও কাজের ধরন পরিষ্কার জানুন।
৪
বেতন, সুবিধা ও ভিসার ধরন লিখিত চুক্তিতে মিলিয়ে নিন।
৫
সবশেষে BMET-এর ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স হয়েছে কি না নিশ্চিত হোন।

সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

ইরাকে কি এখন যাওয়া নিষিদ্ধ?
না। নিষেধাজ্ঞার কথা প্রতিবেদনে নেই। শর্ত হলো, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া BMET ক্লিয়ারেন্স দেবে না।
এই নিয়ম কবে থেকে কার্যকর?
প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্দেশনা চিঠিটি পাঠানো হয়েছে ৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে এবং সেদিনই BAIRA সদস্যদের জানিয়েছে।
ইতিমধ্যে ক্লিয়ারেন্স পাওয়া কর্মীদের কী হবে?
এ বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। নিজের এজেন্সি ও BMET-এর কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।

সম্পর্কিত পোস্ট

সোর্স: প্রথম আলো (ইংরেজি), দ্য ডেইলি স্টার, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, BMET (৫ নভেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদন)
এই লেখাটি কি সহায়ক হয়েছে?
Scroll to Top